সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও সাবেক কানাইঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান পলাশ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছেন পাথর কোয়ারি কেন্দ্রিক দুর্নীতি, অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন—পলাশ আওয়ামী লীগের প্রভাব ব্যবহার করে কানাইঘাটের পাথর কোয়ারিগুলোকে কার্যত নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে রেখেছিলেন এবং এখনও তার প্রভাব বজায় রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি দলীয় পরিচয়কে ঢাল বানিয়ে কোয়ারি থেকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ আয় করেছেন। এ অর্থ নিয়ে তিনি একাধিকবার ভারতে অবস্থান করেছেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তবুও কানাইঘাটের পাথর কোয়ারিগুলো এখনো তার প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, আর স্থানীয় জনগণ পাচ্ছে শুধু ভোগান্তি।
দলীয় দায়িত্ব ও জনপ্রতিনিধির পদকে আড়াল করে দুর্নীতির জাল বিস্তার করার অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কানাইঘাটের সাধারণ মানুষ। অনেকেই বলছেন, আওয়ামী লীগের নাম বিক্রি করে তিনি যে অবৈধভাবে সম্পদ গড়ে তুলেছেন, তা দলের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
এমনকি প্রশ্ন উঠছে—পলাশের কুটির কোথায়? তিনি কার আশ্রয়ে এত শক্তিশালী হয়ে উঠলেন? স্থানীয়দের দাবি, পাথর কোয়ারির স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, নাহলে এ দুর্নীতি থামানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
📌 সারসংক্ষেপ:
পাথর কোয়ারি থেকে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ।
আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে সব অনিয়ম ঢেকে ফেলা।
ভারতে টাকা পাচারের অভিযোগ।
এখনও কানাইঘাটের কোয়ারিগুলো তার নিয়ন্ত্রণে।
স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নিন্দ।