ফলো করুন
২৪ ঘন্টার খবর
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২৫,০৭:৪৮ পিএম
‘বিশ্বমানের ক্যানসার চিকিৎসা এখন বাংলাদেশে’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় ১৭ সেপ্টেম্বর
‘বিশ্বমানের ক্যানসার চিকিৎসা এখন বাংলাদেশে’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় ১৭ সেপ্টেম্বরছবি: প্রথম আলো
ফুসফুসের স্বাভাবিক কোষগুলো হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে ও দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, তখন সেখানে টিউমার তৈরি হয়। এই টিউমার ছড়িয়ে পড়ে শরীরের অন্য অংশে গেলে সেটিই ফুসফুস ক্যানসার হিসেবে পরিচিত। ফুসফুসের ক্যানসারের প্রধান কারণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ধূমপান।
প্রচারিত হয় ২৪ ঘন্টার খবর
অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থাপক নাসিহা তাহসিন জানান, এক থেকে দেড় শ বছর আগেও বিশ্বব্যাপী ফুসফুসের ক্যানসার ছিল একটি বিরল রোগ। কিন্তু ১৮৭৭ সালে জার্মানির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, যত মানুষ ক্যানসারে মারা যেতেন তাঁদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন মাত্র ১ শতাংশ। তারপর ১৯২০ থেকে ১৯৩০-এর দিকে এ রোগটি দ্রুত বাড়তে থাকে। এর পেছনে রয়েছে এক ভয়ংকর ইতিহাস। সে সময় সিগারেটের মেশিন আবিষ্কার হয়, যা দিয়ে দিনে হাজার হাজার সিগারেট উৎপাদন করা হতো। বিশ্বযুদ্ধের পর হওয়ায় সবার মধ্যে বিষণ্নতা ও হতাশা বৃদ্ধি হতে থাকে। আর এটি কমানোর অন্যতম উপায় মনে করে ধূমপান করা হতো।
ফুসফুসের ক্যানসার কেন হয়
এ ধরনের ক্যানসার কেন হয়, উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. তন্নিমা অধিকারী বলেন, ‘ফুসফুস ক্যানসারের প্রধান কারণ সরাসরি ও পরোক্ষ ধূমপান। ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে দায়ী এই ধূমপান। কারণ, একটা সিগারেটে ১০০টি “নন–কারসিনোজেন” থাকে। এ ছাড়া কিছু গ্যাস আছে, যেমন অ্যাসবেস্টস ও রেডন, এগুলো আমাদের গ্রামে মাটির যে ঘরগুলো থাকে সেই বদ্ধ ঘরের মধ্যে উৎপন্ন হয়।’
ডা. তন্নিমা অধিকারী বলেন, যাঁরা আর্সেনিকযুক্ত পানি খাচ্ছেন তাঁদেরও ফুসফুসের ক্যানসার হতে পারে। যাঁরা কয়লার খনি বা পেট্রোলিয়ামের কারখানায় কাজ করেন বা বিল্ডিং নির্মাণে কাজ করেন তাঁদের ফুসফুস ক্যানসার হতে পারে। আরেকটি কারণের মধ্যে আছে, যদি কেউ ছোটবেলায় বুকে রেডিওথেরাপি নেন এবং সেই রেডিয়েশন যদি ফুসফুসে পড়ে, তাঁর পরবর্তী সময়ে ফুসফুস ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে পারিবারিক ইতিহাসও এ ক্যানসারের জন্য দায়ী।