জন্মদিনে প্রখ্যাত লেখকের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
শেখ ওয়াজেদ আলি
( ৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৯০ – ১০ জুন, ১৯৫১)
✔️তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি প্রাবন্ধিক। তিনি মূলতঃ ‘এস ওয়াজেদ আলি’ নামেই অধিক পরিচিত। তিনি বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতা আলবার্ট হলে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি অভিনন্দন পত্র পাঠ করেন।
শেখ ওয়াজেদ আলি ১৮৯০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার শ্রীরামপুর মহকুমার বড় তাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বি.এ পাশ করেন। ১৯১৫ সালে ব্যারিস্টারি পাশ করেন। তিনি তাঁর কর্মজীবনে প্রেসিডেন্সী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। ১৯৪৫ সালে অক্টোবরে অবসর গ্রহণ করেন। সমকালীন মুসলমান সাহিত্যিকদের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত একজন লেখক হিসাবে প্রতিপত্তি লাভ করেন। তাঁর পিতার নাম শেখ বেলায়েত আলী। তিনি ছিলেন একজন ব্যবসায়ী এবং শিলংয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন।
সমকালীন মুসলমান সাহিত্যিকদের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত একজন লেখক হিসেবে তিনি প্রতিপত্তি লাভ করেন।
তাঁর সাহিত্যকর্ম :
গুলদাস্তা (১৯২৭) – গল্প
মাশুকের দরবার (১৯৩০) – গল্প
জীবনের শিল্প (১৯৪১) – প্রবন্ধ
প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩) – প্রবন্ধ
ভবিষ্যতের বাঙালী (১৯৪৩) – প্রবন্ধ
গ্রানাডার শেষ বীর (১৯৪০) – ঐতিহাসিক উপন্যাস
বাদশাহী গল্প (১৯৪৪) – গল্প
গল্পের মজলিশ (১৯৪৪) –
পশ্চিম ভারত (১৯৪৮) – ভ্রমণকাহিনী
আকবরের রাষ্ট্র সাধনা (১৯৪৯) – প্রবন্ধ
মোটর যোগে রাঁচী সফর (১৯৪৯) – ভ্রমণকাহিনী
মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ – প্রবন্ধ।
১০ জুন ১৯৫১ সালে প্রাবন্ধিক এস ওয়াজেদ আলী মৃত্যুবরণ করেন।